ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দূর করবে যেসব ফল

ক্যালসিয়াম শরীরের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মিনারেল। এটি হাড় ও দাঁতের মজবুত গঠনে সহায়তা করে এবং পেশি ও স্নায়ুর কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। ব্রিটেনের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (NHS) অনুসারে, একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির প্রতিদিন ৭০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম প্রয়োজন।
সাধারণত দুধকে ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎস হিসেবে ধরা হয়। তবে অনেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি দুধ খান না কিংবা ল্যাক্টোজ অসহিষ্ণুতা থাকায় দুধ খেতে পারেন না। তাই ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণে বিকল্প উৎসের প্রয়োজন হয়।
পুষ্টিবিদ অনশূল সিংহ বলেন, “৯৯% ক্যালসিয়ামই হাড় ও দাঁতে জমা হয়। এটি শুধু হাড় মজবুত রাখে না, বরং পেশির কার্যক্ষমতাও বাড়ায়।”
দুধ ছাড়াও টোফু, চিয়া বীজ, দই, চিজ থেকে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। পাশাপাশি কিছু ফলেও পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম বিদ্যমান রয়েছে। আসুন জেনে নিই যেসব ফলে ক্যালসিয়াম বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়।
কমলালেবু :
কমলালেবু শুধু ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ নয়, এটি ক্যালসিয়ামেরও ভালো উৎস। USDA-এর তথ্য অনুযায়ী, ১০০ গ্রাম কমলালেবুতে ৪৩ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে।
আঞ্জির :
আঞ্জির ক্যালসিয়ামের একটি চমৎকার উৎস। আধা কাপ আঞ্জিরে ১৮০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইবারেও সমৃদ্ধ।
পেঁপে :
পেঁপেতে প্রতি ১০০ গ্রামে ৩০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। এটি ফাইবার, ভিটামিন A ও C-এর সমৃদ্ধ উৎস এবং হজম প্রক্রিয়ায় সহায়ক।
ব্ল্যাকবেরি :
ব্ল্যাকবেরি ভিটামিন C, K ও ম্যাঙ্গানিজ সমৃদ্ধ। ১০০ গ্রাম ব্ল্যাকবেরিতে ৩০-৪০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে।
কিউই :
কিউই পটাশিয়াম ও ভিটামিন C-এর চমৎকার উৎস। ১০০ গ্রাম কিউইতে প্রায় ৪০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি ও হজমশক্তি উন্নত করতেও সহায়ক।
আপনার প্রতিদিনের খাবারে এই ফলগুলো যোগ করুন এবং ক্যালসিয়ামের অভাব দূর করুন!